এইচএসসি প্রিপারেশন চাষার দুক্ষু গল্পের নোটস (PDF) বাংলা ১ম পত্র
এইচএসসি চাষার দুক্ষু গল্পের নোট
চাষার দুক্ষু
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
লেখক পরিচিতি ও এইচএসসি চাষার দুক্ষু
জন্ম পরিচয়:
১৮৮০ সালে ৯ ডিসেম্বর, পায়রাবন্দ, মিঠাপুকুর, রংপুর। পিতা: জহিরউদ্দীন মোহাম্মদ আবু আলী হায়দার সাবের। মাতা: রাহাতুন্নেসা চৌধুরী। স্কুল প্রতিষ্ঠা: তিনি ১৯১১ সালে কলকাতায় ‘সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেন।
মৃত্যুবরণ: ৯ডিসেম্বর ১৯৩২ সালে।
গদ্যগ্রন্থ:
মতিচূর, অবরোধবাসিনী। উপন্যাস: পদ্মরাগ ও সুলতানার স্বপ্ন।
লেখক সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি
রোকেয়া বাংলা ও ইংরেজি ভাষা শিখেছিলেন – বড় ভাই-বোনের সাহচর্যে ।
রোকেয়া বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ১৬বছর বয়সে।
রোকেয়ার ইংরেজি রচনা Sultana’s Dream.
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের পিতৃপ্রদত্ত নাম ও বিবাহের পরের নাম রোকেয়া খাতুন, বিবাহের পরে নামের শেষে স্বামীর নাম সাখাওয়াত হোসেন যুক্ত হয়।
তিনি প্রথমে যে নামে লিখতেন মিসেস আর.এস. হোসেন।
বিপত্নীক সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন – ১৮৯৮ সালে।
তিনি সাহিত্য সাধনায় আত্মনিয়োগ করেন ভাগুলপুরে বসে।
তার স্বামীর মৃত্যু হয় – ১৯০৯ সালে।
নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি ১৯১৬ সালে স্থাপন করেন – আঞ্জুমান খাওয়াতিনে ইসলাম (মুসলিম মহিলা সমিতি)।
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন লেখনী ধারণ করেন মুসলিম সমাজের কুসংস্কার ও জড়তা দূর করার জন্য।
রোকেয়া কলকাতায় গমন করেন ১৯১০ সালে।
রোকেয়া দিবস পালিত হয় – ৯ডিসেম্বর।
রোকেয়া ভাঞ্চলপুরে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করেন- স্বামীর নামে।
রোকেয়া কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল উর্দু প্রাইমারি স্কুল স্থাপন করেন – ১৬ মার্চ ১৯১১ সালে।
বিবিসির জরিপকৃত শ্রেষ্ঠ বাঙালির তালিকায় রোকেয়ার স্থান – ৬ষ্ঠ।
‘পিপাসা’ নামক একটি বাংলা গল্প লিখে সাহিত্যজগতে রোকেয়া অবদান রাখতে শুরু করেন – ১৯০২ সালে।
পায়রাবন্দ গ্রামে পৈতৃক ভিটায় ‘বেগম রোকেয়া স্মৃতি কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে – ৩.১৫ একর জমির উপর।
চাষার দুক্ষু প্রবন্ধের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি :
বৌ এর পৈছা বিকায় তবু। এখানে পৈছা’ শব্দের অর্থ- স্ত্রীলোকদের মণিবন্ধনের প্রাচীর অলংকার।
দেড়শ বছর আগে ভারতবাসী অসভ্য ছিল।
‘চাষার দুক্ষু’ রচনায় বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় খাদ্য-দ্রব্যে ভেজাল দেওয়ার বাড়াবাড়িকে বলা হয়েছে অনারেবলের গড়াগড়ি।
জুট মিলের কর্মচারীরা মাসিক বেতন পায় ৫০০-৭০০ টাকা।
কৃষকের খাদ্যাভাবের উত্তর দিয়েছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
ইউরোপের মহাযুদ্ধ পৃথিবীকে সর্বস্বান্ত করেছে।
এন্ডি বস্ত্রের বর্ণ – বর্ণহীন।
‘চাষার দুক্ষু’ রচনা অনুযায়ী ইউরোপের মহাযুদ্ধ ৭ বছরের ঘটনা।
কৃষক রমণীগণ চরকায় সুতা কাটতেন।
জুট মিলের কর্মচারীরা নবাবি হালে থাকে।
বর্তমানে শিরায় শিরায়, ধমনিতে ধমনিতে প্রবেশ করছে – বিলাসিতা।
টাকায় ৮সের সরিষার তেল এবং ৪ সের ঘি পাওয়া যেত।
জমিরনের মাথায় আধ পোয়াটাক তেল লাগত।
* অট্টালিকার চূড়ায় দেখা যায় – বড় বড় ঘড়ি ।
* দুই গণ্ডা পয়সায় এক সের তেল পাওয়া যেত।
বিহার অঞ্চলে, ৩০/৩৫ বছর আগে দুই সের খেসারির বিনিময়ে কৃষক পত্নী কন্যা বিক্রি করত।
* ২৫ বছর আগে উড়িষ্যার অন্তর্গত কণিকা রাজ্যে কৃষকরা পান্তা ভাতের সাথে লবণ ছাড়া আর কিছু পেত না।
‘পখান’ অর্থ- পান্তা ভাত ।
উড়িষ্যার অন্তর্গত কণিকা রাজ্যে শুঁটকি মাছকে পরম উপাদেয় ব্যঞ্জন বলে গণ্য করা হতো।
উড়িষ্যার অন্তর্গত কণিকা রাজ্যে টাকায় ২৫/২৬ সের চাউল ছিল।
রংপুর জেলা পাট ও ধানের জন্য প্রসিদ্ধ ছিল।
‘জঠর’ অর্থ- পেট ।
আসাম ও রংপুর জেলায় এন্ডি রেশম পাওয়া যেত ।
এন্ডি কাপড় ৪০ বছর টেকে।
বিদেশে ‘এন্ডি’ কাপড় ‘আসাম সন্ধি’ নামে পরিচিত।
গভর্নর লর্ড কারমাইকেল দেশি রুমালের খোঁজ করেন।
প্রাবন্ধিক পাটের পরিবর্তে ‘কার্পাস’ চাষে অধিকতর জোর দিয়েছেন।
ট্রামে যেতে আসতে মুটে মজুরদের ১০ পয়সা লেগে যায়।
‘চাষার দুক্ষু’ রচনাটি বাংলা একাডেমি প্রকাশিত ‘রোকেয়া রচনাবলি’ থেকে সংকলিত হয়েছে।
‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে উল্লেখকৃত যানবাহনের নাম – স্টিমার, এরোপ্লেন, মোটর লরি,রেলওয়ে, বরফের গাড়ি, ট্রামওয়ে, মোটরকার।
‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে উল্লেখকৃত কলকারখানার নাম – পাটকল, চটকল।
‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে উল্লেখকৃত কাপড়ের নাম – ঢাকা মসলিন, এন্ডি কাপড়, আসাম সিল্ক।
‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে উল্লেখকৃত ব্যক্তির নাম- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, লর্ড কারমাইকেল, জমিরন।
‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে উল্লেখকৃত ঋতুর নাম – শীতকাল
‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে উল্লেখকৃত জায়গার নাম – কলিকাতা, বঙ্গদেশ, ভারতবর্ষ, ই ইউরোপ, বিহার, উড়িষ্যা, রংপুর, কণিকা রাজ্যে, সাত ভায়া,মুর্শিদাবাদ ।

0 Comments